logo

শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ৫১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ০১:৫৩ পূর্বাহ্ন

মৃত কাফেরের নামকে ব্যাঙ্গ করার ক্ষেত্রেও রাসুল (সাঃ) এর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আছে

অফিস ডেস্ক
প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৭ জানুয়ারি ২০২৬ | সময়ঃ ০৬:২৩
  • সংবাদ পাঠকঃ ৫৭০ জন
photo

মিজানুর রহমান মিজান : 
 
জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার কনিষ্ঠ পুত্র আরাফাত রহমান কোকো মূলত রাজনীতির বাহিরের একজন সংগঠক ছিলেন।
ক্রিকেট ভালবাসতেন, খেলতেনও ভাল। তাই ক্রিকেটের উন্নয়নে হয়েছিলেন বিসিবির ডেভলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান।
রাজনৈতিকভাবে তিনি কারও শত্রু ছিলেন বলে জানা নেই। কাউকে কটাক্ষ করে কথাও বলেননি।
কুষ্টিয়া ৩ আসন থেকে জামায়াতের নমিনেশন পাওয়া কথিত মুফতি আমির হামজা নামক ভার্সিটির মালের একটা ওয়াজ আজ চোখে পড়লো।
যেখানে সে আরাফাত রহমান কোকোর নামের কোকো অংশকে ব্যাঙ্গ করে কুকু হলে দাঁত না থাকা কোকোর দাদী কুকুর (নাউযুবিল্লাহ) ডাকতেন বলে ওয়াজ করে মানুষকে সঠিক নামকরণ করার নসিহত করছে।
হামজা একজন মজলুম ছিল। ফ্যাসিস্ট আমলে সে জেল জুলুমের শিকার হয়েছে। তাই আমরা অনেকেই তখন অন্য মজলুমদের মত তার জন্যে প্রতিবাদ করেছিলাম।
হামজাকে কেন কথিত মুফতি বললাম?
মুফতি হলে হামজা জানতো একজন মৃত মুসলমান নয় কেবল একজন মৃত কাফেরের নামকে ব্যাঙ্গ করার ক্ষেত্রেও আল্লাহর রাসূল (সাঃ) এর স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা আছে।
মুফতি হলে সে জানতো, আরাফাত রহমান কোকোর আরাফাত নাম সূরা আল আরাফের ৪৬-৪৯ আয়াতে আল্লাহ জান্নাত আর জাহান্নামের মধ্যবর্তী অংশ হিসাবে ঘোষণা দেয়া স্থানের নাম। হজ্বের অন্যতম রুকনের স্থান এই আরাফাত।
ক্ষমতার লোভে অহংকারী দানব হয়ে উঠা এই হামজারা ইসলামকে ব্যবহার করে মানুষকে ভুল শিক্ষা দিচ্ছে।
হামজার কর্মকান্ড এটা প্রমাণ করছে সে আদতে কোন মজলুম ছিল না। আমরাই ভুলে তাকে মজলুম ভেবেছিলাম।
হামজারা মূলত ধর্মের লেবাসে হিংস্র শয়তান। যারা ধর্মীয় জ্ঞানের অহংবোধে ইবলিশকে ইমাম হিসাবে গ্রহণ করেছে।

শেয়ার করুন