ঢাকা অফিস :
২০২৬ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার পাসের হার ও জিপিএ-৫ উভয় ক্ষেত্রেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ এবং ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
এ ছাড়া জিপিএ-৫ পাওয়ার ক্ষেত্রেও ছাত্রীরা এগিয়ে। এবার মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ছাত্রী ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন এবং ছাত্র ৫২ হাজার ৭৮০ জন।
আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এবার ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন শিক্ষার্থী এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৪৭ জন। এবার গড় পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ।
এর মধ্যে ছাত্রীদের পাসের হার ৬৬ দশমিক ৬৮ শতাংশ, যেখানে ছাত্রদের পাসের হার ৫৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ পাসের হারে ছাত্রীরা ছেলেদের চেয়ে ৮ দশমিক ৮২ শতাংশ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছে।
এবার ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নেয়। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯০৯ জন। অন্যদিকে ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্রের মধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন।
এ ছাড়া জিপিএ-৫ অর্জনেও ছাত্রদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে ছাত্রীরা। এবার মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে। তাদের মধ্যে ৬৩ হাজার ৮৯৬ জন ছাত্রী এবং ৫২ হাজার ৭৮০ জন ছাত্র।
সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে ঢাকা বোর্ডের শিক্ষার্থীরা। এ বোর্ডে ৩৩ হাজার ২৫৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর মধ্যে ছাত্রী ১৮ হাজার ৩৩৩ জন এবং ছাত্র ১৪ হাজার ৯২০ জন।
জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় ঢাকা বোর্ডের পর রয়েছে রাজশাহী। এ বোর্ডে ১৬ হাজার ৩১৩ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। দিনাজপুরে ১৩ হাজার ৬৩৯, যশোরে ১১ হাজার ৪৭৮, কুমিল্লায় ৯ হাজার ৮১৪, চট্টগ্রামে ৯ হাজার ৩৯৮, ময়মনসিংহে ৫ হাজার ৭০০, সিলেটে ৩ হাজার ৮৩৬ এবং বরিশালে ২ হাজার ৭৭৮ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে মোট ১ লাখ ৬ হাজার ৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে। এর বাইরে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৬ হাজার ৭১৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৩ হাজার ৯৫১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় ৩০ হাজার ৪০২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়। পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ৩ হাজার ৮৮৩টি কেন্দ্রে।