বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সরাসরি হামলা ও বিরোধিতার অভিযোগ এবং একাধিক মামলার হুলিয়াভুক্ত আসামি, রাজবাড়ীর পাংশা পৌর আওয়ামী লীগের ৮নং ওয়ার্ডের সাধারণ সম্পাদক তাপস পাল এখন কুষ্টিয়ায় প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন । এক ডজনেরও বেশি মামলার আসামি এবং একাধিক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা থাকা সত্ত্বেও কুষ্টিয়ার কতিপয় পথভ্রষ্ট ও সুবিধাবাদী বিএনপি নেতার ছত্র ছায়ায় থেকে তিনি পুরোনো কায়দায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে তাপস পাল আত্মগোপনে থাকলেও সম্প্রতি কুষ্টিয়া শহরে নতুন করে গা ঢাকা দেন। তবে কেবল আত্মগোপনেই সীমাবদ্ধ না থেকে, স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী পদধারী নেতার রাজনৈতিক আশ্রয়ে তিনি পুনরায় বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তাকে প্রকাশ্যে চলাফেরা করতে দেখা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষ ও আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক পরিচয় গোপন রেখে এবং বিএনপির ভেতরের একটি কুচক্রী মহলকে মোটা অঙ্কের সুবিধা দিয়ে তাপস পাল নিজের অবস্থান শক্ত করছেন। উক্ত মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে থেকে পিছন থেকে তিনি নানা ধরনের কলকাঠি নাড়ার পাশাপাশি নানা অপরাধমূলক সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
সাধারণ জনগণের প্রশ্ন—যেখানে আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করার কথা, সেখানে এক ডজন মামলার পরোয়ানাভুক্ত আসামি কীভাবে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে কুষ্টিয়া জেলা শহরে মহড়া দেয়? প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সচেতন নাগরিক সমাজ অনতিবিলম্বে তাপস পালসহ তার সহায়তাকারী পথভ্রষ্ট রাজনৈতিক মদদ দাতাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।