logo

শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬ ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ ০১:৪৩ পূর্বাহ্ন

কুমারখালী থেকে বাসে ওঠেন ৮জন : নিখোঁজ ৩

প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৫ মার্চ ২০২৬ | সময়ঃ ১১:০৯
  • সংবাদ পাঠকঃ ৯৫০ জন
photo

জনতার পত্রিকা : 
 
 
রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় পদ্মা নদীতে দুর্ঘটনার শিকার বাসটিতে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ওঠেন ৮ জন। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ফেরিতে উঠতে গিয়ে নদীতে পড়ে যায় বাসটি। এতে নিখোঁজ হন ৩ জন। বাকিদের সন্ধান পাওয়া গেছে।
কুমারখালী থেকে বাসে ওঠা যাত্রীরা হলেন- গিয়াস উদ্দিন রিপন (৪৫), তার স্ত্রী লিটা খাতুন (৩৭) এবং তাদের সন্তান আবুল কাসেম সাফি (১৭), আয়েশা বিন্তে গিয়াস (১৩)। গিয়াস খোকসা উপজেলার শোমসপুর গ্রামের বাসিন্দা।
গিয়াস কুমারখালী পৌর ভবন এলাকার মৃত বকুল বিশ্বাসের মেয়ের স্বামী। শ্বশুরবাড়িতে ঈদের ছুটি কাটিয়ে পরিবার নিয়ে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ঢাকার তাকওয়া ফুড প্রোডাক্টের কারখানায় ফিরছিলেন।
অন্যরা হলেন- মো. নুরুজ্জামান (৩২), তার স্ত্রী আয়েশা আক্তার (৩০) এবং তাদের সন্তান নওয়ারা আক্তার (৪) ও আরশান (৭ মাস)।
তারা ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার কচুয়া ইউনিয়নের খোন্দকবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা। নুরুজ্জামান ঢাকার একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এই দুই পরিবারের মধ্যে আয়েশা, আরশান ও আয়েশা বিন্তে গিয়াস নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
ফোনে নুরুজ্জামান বলেন, বাড়ির কাছাকাছি হওয়ায় কুমারখালী বাস স্ট্যান্ড থেকে ঢাকা যাওয়া-আসা করি। ছুটি এসে সৌহার্দ্য পরিবহনে করে ঢাকা যাচ্ছিলাম। পথে ফেরিতে ওঠার সময় গাড়ি সিরিয়ালে ছিল। তখন আমি আর বড় মেয়ে নাওয়ারা বাস থেকে নেমে যায়। আর স্ত্রী আয়েশা ও ছোট মেয়ে আরশান বাসেই ছিল। পরে বাসটি নদীতে পড়ে যায়। এখন পর্যন্ত স্ত্রী আর ছোট মেয়ের সন্ধান পাইনি।
ফোনে গিয়াস উদ্দিন রিপন বলেন, বাসের সঙ্গে আমার স্ত্রী লিটা ও মেয়ে আয়েশা পানিতে ডুবে যায়। পরে স্ত্রীকে স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও মেয়েকে এখনও পাইনি।
সৌহার্দ্য পরিবহনের কুমারখালীর বাস কাউন্টার মাস্টার তন্বয় আহমেদ বলেন, দুপুর আড়াইটার দিকে ৬টি সিটে যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় বাসটি। এরপর খোকসা থেকে ৭ জন, মাছপাড়ার ৪ জন, পাংশার ১৫ জন, চালক-সহকারীসহ মোট ৫০ জন ছিলেন।
তার ভাষ্য, ৪০ সিটের বাসে মোট ৫০ জন ছিলেন। ব্রেক ফেল করে গাড়িটি নদীতে ডুবে গেছে। যাত্রীদের কারো পরিচয় জানা নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী ফারজানা বলেন, কুমারখালী থেকে শিশুসহ ৮ যাত্রী নিয়ে বাসটি ছেড়ে গিয়েছিল। তাদের বাড়ি খোকসা ও শৈলকূপা উপজেলায়। ৮ জনের মধ্যে তিনজন নিখোঁজের তথ্য পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন