ভেড়ামারায় ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগ! মামলা দায়ের
প্রতিবেদন প্রকাশ:
১৭ মার্চ ২০২৬ | সময়ঃ ০৩:৩০
সংবাদ পাঠকঃ ৩১১৬ জন
জনতার পত্রিকা :
কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় জামিলাতুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসার ১০ বছর বয়সী এক আবাসিক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে উঠেছে উক্ত মাদ্রাসার সুপার ও প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা সাইদুর রহমান এর উপর।
ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পার্শ্ববর্তী দৌলতপুর উপজেলার মরিচা ইউনিয়নের বাসিন্দা ওই শিশুটি প্রায় ৮ মাস আগে ভেড়ামারার চৈতন্য মোড়ে অবস্থিত জামিলাতুন্নেছা মহিলা মাদ্রাসায় ভর্তি হয়। মাদ্রাসাটির দ্বিতীয় তলায় আবাসিক ছাত্রী হোস্টেল এবং নিচতলায় সপরিবারে থাকতেন অভিযুক্ত সুপার সাইদুর রহমান। পুরো মাদ্রাসায় তিনি একাই পুরুষ শিক্ষক ছিলেন।
গত রোববার মাদ্রাসার ছুটির দিনে শিশুটির মা তাকে নিতে আসলে বিষয়টি জানাজানি হয়। সুপারের স্ত্রী প্রথমে শিশুটির জ্বরের কথা জানালেও, হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে দ্রুত তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বর্তমানে শিশুটি সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে (আইসিইউ) আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছে।
পরিবারের আহাজারি
ভুক্তভোগী শিশুটির মা কান্নায় ভেঙে পড়ে বলেন, “ভর্তির সময় এখানে ৪০-৪৫ জন ছাত্রী ছিল, এখন মাত্র ৭ জন আছে। ওরা আমার মেয়ের জীবন শেষ করে দিয়েছে। আমি এই নরপশুর কঠিন বিচার চাই।”
শিশুটির বাবা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “কোরআন শেখার জন্য মেয়েকে মাদ্রাসায় দিয়েছিলাম। এমন সর্বনাশ যেন আর কারো না হয়। এরা পশুর চেয়েও জঘন্য।”
এ বিষয়ে সাইদুর রহমান এবং তার সহধর্মিণী বিষয় টা অস্বীকার করে।
জনমনে প্রশ্ন তারা যদি কিছু নাই করবে তবে মেয়েটি অসুস্থ হলো কি করে?
এনিয়ে পক্ষ বিপক্ষে নানা আলোচনা সমালোচনার ঝড় সৃষ্টি হয়েছে।
এবিষয়ে ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ জাহেদুর রহমান বলেন, অভিযুক্ত সাইদুর রহমান কে আটক করে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। যার মামলা নং ১৩/১২
উক্ত ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।