প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, সময়ঃ ০২:২৫
রংপুর প্রতিনিধি :
রংপুরে একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত স্কুলশিক্ষক ও তার স্ত্রী-সন্তানসহ চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তারা হলেন গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল (৬৫), তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা (৫০), মেয়ে প্রার্থী চক্রবর্তী (২৫) এবং ছেলে প্রীয়ম চক্রবর্তী (১২)।বেশ কিছুদিন ধরে তাদের বাড়িটি বাইরে থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিল। এরপর ভেতর থেকে দুর্গন্ধ আসায় স্থানীয়দের মনে সন্দেহ তৈরি হয়। পরে পুলিশ এসে বাড়ির তালা ভেঙে তাদের মরদেহ উদ্ধার করে।
রংপুরের কোতয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল কাদের জানিয়েছেন, শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর মরদেহ বাড়ির ছাদ থেকে, তার স্ত্রী ও মেয়ের মরদেহ তিনতলায় ওঠার সিঁড়ি থেকে এবং ছেলের মরদেহ খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা পারিবারিক কোনো ট্র্যাজেডি হতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ও সময় উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে তদন্ত চালাচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি নাজমুল কাদের বলেছেন, “দোতলা বাড়ির প্রধান গেট তালাবদ্ধ ছিল। তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দোতলার ঘরের খাটের নিচ থেকে প্রীয়ম, তিনতলায় ওঠার সিঁড়ির থেকে প্রীতিলতা ও প্রার্থী চক্রবর্তী এবং ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এখন সিআইডির তদন্তুর টিম প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা দেখতে এরই মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।”
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।
পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বা পারিবারিক কোনো ট্র্যাজেডি হতে পারে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ ও সময় উদ্ঘাটনের জন্য পুলিশ ও সিআইডির ফরেনসিক টিম ঘটনাস্থলে তদন্ত চালাচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি নাজমুল কাদের বলেছেন, “দোতলা বাড়ির প্রধান গেট তালাবদ্ধ ছিল। তালা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে দোতলার ঘরের খাটের নিচ থেকে প্রীয়ম, তিনতলায় ওঠার সিঁড়ির থেকে প্রীতিলতা ও প্রার্থী চক্রবর্তী এবং ছাদ থেকে গণপতি চক্রবর্তীর লাশ উদ্ধার করা হয়। এখন সিআইডির তদন্তুর টিম প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করছে। কিভাবে এই ঘটনা ঘটল তা দেখতে এরই মধ্যে তদন্ত কার্যক্রম শুরু হয়েছে।”
ঘটনাটি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার (ডিআইজি) মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ জানান, প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত সংগ্রহের কাজ চলছে।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।