প্রতিবেদন প্রকাশ: ৩১ জুলাই ২০২৬, সময়ঃ ০৯:৫৪
জনতার পত্রিকা :
নওগাঁ সদরে একটি পরিবারকে ঘিরে সামনে এসেছে চাঞ্চল্যকর এক ঘটনা। স্থানীয় সূত্রের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে এক স্কুল শিক্ষক নিজের ছেলের সঙ্গে এক তরুণীর পারিবারিকভাবে বিয়ে দেন। কিন্তু বিয়ের পর থেকেই ওই তরুণী অভিযোগ করেন, তার স্বামী মানসিক ও শারীরিকভাবে অসুস্থ ছিলেন এবং বিষয়টি বিয়ের আগে তাকে জানানো হয়নি। তিনি আরও দাবি করেন, স্বামীর সঙ্গে তিনি কখনো স্বাভাবিক দাম্পত্য জীবন শুরু করেননি।
এরপর সময়ের সঙ্গে শ্বশুর ও পুত্রবধূর মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ ওঠে। একপর্যায়ে তরুণী স্বামীকে ডিভোর্স দিয়েছেন বলে দাবি করে বাবার বাড়িতে চলে যান। পরে ওই স্কুল শিক্ষকও দাবি করেন, তিনি তার প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়েছেন এবং কোর্ট ম্যারেজের মাধ্যমে ওই তরুণীকে বিয়ে করেছেন।
ঘটনার নতুন মোড় আসে যখন প্রথম স্ত্রী ও পরিবারের সদস্যরা একটি ভাড়া বাসায় গিয়ে তাদের একসঙ্গে দেখতে পান বলে অভিযোগ করেন। প্রথম স্ত্রীর দাবি, তাকে কোনো তালাকনামা দেওয়া হয়নি এবং স্বামী গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন।
অন্যদিকে তরুণীর বক্তব্য, "আমি তার ছেলের সঙ্গে সংসার করতে চাইনি। আমার ইচ্ছায় আমি তাকে বিয়ে করেছি। আমাকে অসুস্থ ছেলের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেই সত্য গোপন রাখা হয়েছিল।"
স্কুল শিক্ষকও সাংবাদিকদের কাছে কোর্ট ম্যারেজ করার দাবি করেন এবং বলেন, অসহায় অবস্থায় থাকা ওই তরুণীকে তিনি বিয়ে করেছেন।
ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা ও বিতর্ক। তবে বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য ভিন্ন হওয়ায় অভিযোগগুলোর সত্যতা ও আইনি অবস্থান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও নথির ভিত্তিতেই নিশ্চিত হওয়া সম্ভব।