প্রতিবেদন প্রকাশ: ১৬ মে ২০২৬, সময়ঃ ১০:০৮
: শামসুল আলম স্বপন :
কুষ্টিয়ায় সদর উপজেলাবাসী দীর্ঘদিন পর পেয়েছেন একজন সৎ,নিষ্ঠাবান ও ন্যায় পরায়ন উপজেলার সহকারী কমিশনার ( এসই ল্যান্ড)। তিনি নুসরাত ইয়াসমিন । যার নাম শুনলেই দুর্নীতিবাজ ও দালালচক্র কাপতে থাকে । দীর্ঘদিন অফিসটি ছিল দালালচক্র আর দুর্ণীতিবাজদের আড্ডা । ঘুষ ছাড়া কোন কাজ হত না এখানে। সাধারন মানুষের ভোগান্তি ছিল চরমে। টাকা দিলে হারামকে হালাল করে দিত অসৎ কর্মচারিরা । ঘুষ না দিলে মাসের পর মাস টেবিলে পড়ে থাকতো ফাইলের স্তুপ । সাধারন মানুষের ভোগান্তির শেষ ছিল না।
গত ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর নুসরাত ইয়াসমিন উপজেলার সহকারী কমিশনার ( এসই ল্যান্ড) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করার পর পাল্টে গেছে অফিসের চিত্র। প্রতিদিনের কাজ প্রতিদিন শেষ করতে হচ্ছে কর্মচারিদের । ঘুষ লেন-দেন বন্ধ । কামাই হচ্ছে না টু পাইস । অরিজিন্যাল দলিল ছাড়া নাম জারি করছেন না এসই ল্যান্ড । ফলে দুর্নীতিবাজ কমর্চারি ও দালাল চক্র চরম ক্ষুদ্ধ । এ অফিস থেকে আগে যে সব সাংবাদিক নামের সাংঘাতিকরা নিয়মিত মাসোহারা পেত তারাও বঞ্চিত হচ্ছে মাসোহারা থেকে । এ কারণে ভেঙ্গে পড়ছে দালালচক্র। অবৈধ বালি মহলে ও ইটভাটায় ভ্রাম্যমাণ আদালত চালানোর কারণেও তিনি বিরাগ ভাজন হয়েছেন অসৎ ব্যক্তিদের ।দালাল চক্র এখন বলছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার নুসরাত ইয়াসমিন এখানে বেশী দিন থাকতে পারবে না। আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি তাকে বদলী করার জন্য। দালাল সাংবাদিকদের লেলিয়ে দিয়েছি তাঁর বিরুদ্ধে ভূয়া নিউজ করার জন্য ।
কিন্তু দালাল চক্র জানে না কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক তৌহিদ বিন হাসান এক জন সৎ মানুষ । টাকা দিয়ে তাঁর মাথা কেনা যাবে না। তিনি নিজে সৎ তিনি অধনস্থ সৎ কর্মকর্তাদের ভালো বাসেন । তাদের কে ঢাল হিসেবে তিনি সাপোট করেন। পাশাপাশি কুষ্টিয়া সদর উপজেলার উপকারভোগী মানুষ তো রয়েছে উপজেলার সহকারী কমিশনার নুসরাত ইয়াসমিনের পাশে ।
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।