প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ০৪:১৮
জনতার পত্রিকা : “ উপওয়ালা “ খ্যাত কুষ্টিয়া সদর আসনের জামাতী এমপি মুফতি আমির হামজা কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ চালু করা নিয়ে মিডিয়া বলেছিলেন কাজকরবো কি ভাবে গত ৩ দিনে দেশ -বিদেশ থেকে ৫০ কোটি টাকার ঘুষের অফার পেয়েছি কিন্তু আমি রাজি হয়নি।
এমপি সাহেবের এ বক্তব্যকে চ্যালেঞ্জ করে কুষ্টিয়া বিএনপি’র সদস্য সচিব জননেতা ইঞ্জি. জাকির হোসেন সরকার তার ভেরিফাইড ফেসবুকে ষ্ট্যাচ দিয়েছেন তা নিম্নরূপ :
কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল চালু না করার শর্তে কারা এমপি সাহেব কে ৩ দিনে ৫০ কোটি টাকা ঘুষ দিতে চাইলো তাদের নাম আমরা এখনো জানতে পারিনি । তারা বিএনপি’র লোক হলে এতদিন নিশ্চয় উনি বলে দিতেন। ফ্যাসিষ্টরা তো আশে পাশে নেই তবে কে তারা ...?
জননেতা জাকির হোসেন সরকারের এই ফেসবুক ষ্ট্যাচে কুষ্টিয়াতে সৃষ্টি হয়েছে তোলপাড় । আইন বিষেজ্ঞরা বলছেন এমপি সাহেব যা বলেছেন তা ক্রিমিনাল ওপেন্স । তিনি ঘুষের প্রস্তাবাকারীর বিরুদ্ধে যদি আইনি ব্যবস্থা না নেন তা হলে এটা এমপি সাহেবের মনগড়া কথা । তিনিও আইনের দৃষ্টিতে অপরাধী । একটি সরকারি সেবামুলক প্রতিষ্ঠান নিয়ে এমন জঘন্য মিথ্যাচারের জন্য এমপি সাহেবের বিরুদ্ধে মামলা হওয়া জরুরী।
এ ব্যাপারে আমি গত ২৭ ফেব্রুয়ারী জনতা পত্রিকা.কমে মন্তব্য প্রতিবেদন লিখেছিলাম এখানে তা হুবুহু তুলে ধরলাম:
মাননীয় উপরওয়ালা
মন্তব্য প্রতিবেদন :
প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ | সময়ঃ ১১:৪৬
জনতার পত্রিকা : সংবাদ পাঠকঃ ২৩১৮ জন
: শামসুল আলম স্বপন :
মাননীয় উপরওয়ালা, আসসালামুওয়ালাইকুম। আপনি দৃঢ়তার সাথে বলেছেন, মেডিক্যাল কলেজের জন্য মাত্র ৩ দিনে ৫০ কোটি টাকা ঘুষের অফার পেয়েছেন কিন্তু আপনি তা গ্রহন করেন নি। উপরন্ত আপনি বলেছেন কুষ্টিয়া লিখে দিলেও আপনাকে আপনার জায়গা থেকে একচুল পরিমান নড়ানো যাবে না। ধন্যবাদ আপনাকে শেষের কথার জন্য । যদি এ কথা ঠিক থাকে ।
এখন প্রশ্ন হলো রাষ্ট্রীয় আইনে এবং শরীয়াহ আইনে ঘুষ দাতা ও ঘুষ গ্রাহিতা উভয়ই অপরাধী । আপনি কি ঘুষের প্রস্তাব দাতার বিরুদ্ধে আইনি কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন ? যদি না নিয়ে থাকেন তা হলে আইনের দৃষ্টিতে আপনিও অপরাধী । আপনার যদি হেডম থাকে তা হলে ঘুষের প্রস্তাবকারীর নাম বলুন, নীচে আমার মোবাইল নম্বর দেয়া আছে । ওই ঘুষদাতার বিরুদ্ধে আমি কলম ধরতে চাই । আর যদি ঘুষ দাতার নাম না বলেন তা হলে বুঝে নেব ওটা আপনার স্বভাব সুলভ মিথ্যা কথা ।
সস্তা জনপ্রিয়তার লাভের আশায় গলাবাজি করলে ধরা খাবেন পদে পদে। দাদা ২১ বছর আর চাচা ২১ বছর চেয়ারম্যান ছিল কথাটি বলে যেমন ধরা খেয়েছিলেন। নির্বাচনকালীন সময় আমি নিজে আপনার পৈত্রিক গ্রাম দাবিড়া ভিটায় গিয়ে গ্রামবাসীর কাছে জিজ্ঞাসা করেছিলাম আপনার দাদা মো: জান আলী সর্দার এবং চাচা মো: আব্বাস উদ্দিন সর্দার চেয়ারম্যান ছিলেন কিনা ? গ্রামবাসী বললেন তারা চেয়ারম্যান হওয়া তো দুরের কথা জীবনে কেও মেম্বরও হতে পারেননি । গ্রামবাসী বলেছেন কাজল সাহেব চেয়ারম্যান ছিলেন দুই টার্ম কিন্তু তিনি আপনার কেও হন না।
প্রতিবেদক :
শামসুল আলম স্বপন,
সভাপতি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থা,
সম্পাদক: জনতার পত্রিকা ও ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক আমাদের সময় । মোবা : ০১৭১৬৯৫৪৯১৯
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।