প্রতিবেদন প্রকাশ: ২৮ মার্চ ২০২৬, সময়ঃ ১০:০৫
শামসুল আলম স্বপন :
খোঁজ নিয়ে জানাগেছে ছাত্র জীবনে তিনি ছিলেন শিবির সমর্থক । কুষ্টিয়ার সাবেক ডিসি ইকবাল হোসেন ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করে যে কুষ্টিয়-৪ আসনসহ ৩টি আসনে জামাতের প্রার্থীকে জিতিয়েছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই । কারণ ডিসি’র বদলী খবরে কুষ্টিয়ার জামাতীরা অস্থিতর হয়ে পড়েন। তাকে কুষ্টিয়াতে রাখার জন্য জামাতের নারী-পুরুষ নেতা কর্মীরা লাগাতার আন্দোলন ( মিছিল মিটিং ) শুরু করে। প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি বদলী হবে এটা প্রশাসনের স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ডিসি ইকবাল হোসেন যে দলকান ডিসি ছিলেন জামাতীরা তা প্রমাণ করে ছাড়লেন । মজার ব্যাপার হলো ডিসি ইকবাল হোসেন একজন প্রজাতন্ত্রের কর্মচারি তিনিও জামাতীদের আন্দোলনকে সমর্থন করলেন নির্লজ্জের মত । তিনি আন্দোলনকারীদের বলতে পারতেন আমার জন্য আন্দোলন করে আমাকে ক্ষতি করবেন না। একটি বারের জন্যও তিনি সে কথা বলেননি। তাঁর বিস ছিল “উপরওয়ালা” তাঁকে কুষ্টিয়াতে বহাল রাখবেন। কিন্তু গণমানুষের পাল্টা আন্দোলনে কুষ্টিয়া থেকে তাকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন সরকার ।
নির্বাচনে নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়া দলকানা ডিসির বিরুদ্ধে কুষ্টিয়া বিএনপির প্রাণ পুরুষ ৩ বারের জনপ্রিয় সাবেক জনপ্রিয় এমপি গণমানুষের নেতা সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী জেলা প্রশাসন আয়োজিত স্বাধীনতা দিবসের আলোচনা সভায় সামান্য ভাটে হেরে যাওয়ার ব্যাপারে সাবেক ডিসি ইকবাল হোসেনকে দোষারোপ করে যে বক্তব্য রেখেছেন তা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করেছেন । কিন্তু কুষ্টিয়াবাসী বিশেষ করে খোকসা-কুমারখালীর জনগণ সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমীর বক্তব্যকে সঠিক বলে স্বাগত জানিয়েছেন।
মনে রাখতে হবে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী কোন সাধারণ পরিবারের সন্তান নন। তিনি খোকসা উপজেলার কমলাপুর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম “সৈয়দ” পরিবারের সন্তান । তার পিতা সৈয়দ মাছ-উদ রুমি ছিলেন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ জন। সৈয়দ মাছ-উদ রুমির মত সৎ ও যোগ্য নেতা কুষ্টিয়াতে কেও ছিলেন না ভবিষতেও এমন নেতা তৈরী হবে কিনা তা আল্লাহমালুম । বিপুল ভোটে এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তাঁকে ( সৈয়দ মাছ-উদ রুমিকে) কুষ্টিয়ার ডিডিসি’র ( ডিষ্ট্রিক ডেভিলপমেন্ট কোঅডিনেটর ) এর দায়িত্ব দেন। । সৈয়দ মাছ-উদ রুমি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৪র্থ স্পিকার মির্জা গোলাম হাফিজ এর ঘণিষ্ঠ বন্ধু । তাঁরা অবিভক্ত বাংলায় কলকাতাতে একই সাথে চাকরি করতেন। কুষ্টিয়ার উন্নয়নে সৈয়দ মাছ-উদ রুমি রয়েছে অনন্য অবদান। তাঁর যোগ্য সন্তান সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী বাবার স্মৃতি রক্ষার্থে গড়াই নদীর উপর সৈয়দ মাছ-উদ রুমি সেতু নির্মাণে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন । ফ্যাসিষ্টের আমলে এ সেতুর নাম পরিবর্তন করার চেষ্টা চালিয়েও ফ্যাষ্টিরা ব্যর্থ হয়। শুধু তাই নয় সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির আপন ভাই মেজর জেনারেল সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমী ছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিরাপত্তায় নিয়োজিত এস,এস,এফ’র ডিজি ।
কুষ্টিয়ার বিএনপি’র রাজনীতিতে সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমির অবদান অবিশ্মরনীয় । তিনি ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের নির্বাচিত সভাপতি এবং জাতীয় যুব সংস্থার সুযোগ্য চেয়ারম্যান। তিনবার বিপুল ভোটে নির্বাচিত সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি ফেল করেনি ইঞ্জিনিয়ারিং করে জামাতী ডিসি তাকে হারিয়ে দিয়েছেন এট্য়া সত্য। তিনি ভোটের ফলাফল কারচুপির কারণে আদলতের স্মণাপন্ন হয়েছেন আমি বিশ^াস করি তিনি ফিরে পাবেন তাঁর যোগ্য মর্যাদা।
সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমি’র ক্ষুরধার বক্তব্য দলকানা আমলাদের টনক নড়িয়েছে যা প্রয়োজন ছিল এবং আছে। কারণ আওয়ামীলীগকে ফ্যাসিষ্ট রুপে গড়ে তুলেছিল দলকানা আমলারাই।
প্রতিবেদক :
শামসুল আলম স্বপন
সভাপতি
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংবাদিক সংস্থা
ষ্টাফ রিপোর্টার দৈনিক আমাদের সময়
ও
সাবেক জেলা গ্রামসরকার প্রধান ( বৃহত্তর কুষ্টিয়া )
মোবা: ০১৭১৬৯৫৪৯১৯
© Jonotar Potrika ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত
সতর্কতাঃ অনুমতি ব্যতীত কোন সংবাদ বা ছবি প্রকাশ বা ব্যবহার করা যাবে না।